খেলায় জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময়ে বাচ্চাদের সাথে নেওয়া হয় কেন?


ক্রিকেটের মাঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময়ে বাচ্চাদের সাথে নেওয়ার প্রথা ইউরোপিয়ান ফুটবল
প্রিমিয়ার লিগ থেকে এসেছে। ইউরোপিয়ানরা তাদের এই প্রথা অন্যান্য ক্রিকেটিং দেশেও পৌঁছে দিয়েছে।
শুধু ফুটবল বা ক্রিকেটেই নয়, অন্যান্য খেলাগুলোতেও এই প্রথার চল রয়েছে।
যেই বাচ্চাদের সঙ্গে নেওয়া হয় তাদের ম্যাস্কট বলে। কোনো ধরাবাঁধা গুরুত্ব না থাকলেও
এই প্রথা সুষ্ঠ খেলা ও ভালো মেজাজের প্রতীক বলে মানা হয়। বাচ্চাদের সবসময় পক্ষপাতশূণ্য বলে
ধরা হয় এবং তারা হাসিখুশি ও খোশমেজাজে থাকে। তাই তাদের এই গুনগুলি ক্রিকেটাররা
নিজেদের মধ্যে গ্রহন করার চেষ্টা করে মাঠে খেলতে নামে। এই বাচ্চারা খেলোয়াড়দের মনে
করায় তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের সন্মান করার ও মাঠে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ না করার কথা।
এছাড়াও বাচ্চারা তাদের প্রিয় খেলোয়াড়দের সাথে হাটতে ও দাঁড়াতে পেরে অনুপ্রাণিত হয়।
এই ম্যাস্কট হওয়ার কিছু সুবিধেও রয়েছে। এই বাচ্চারা কিছু বিশেষ সুবিধে পায়। যেমন —

এই বাচ্চারা বিশ্বের ভালো ভালো খেলোয়াড়দের সাথে সময় কাটাবার সুযোগ পায়।
সময় কাটানোর সময় তাদের কাছ থেকে কিছু খেলার কৌশলও শিখে নেওয়ার সুযোগ পায়।
এই বাচ্চাগুলো ম্যাচের ফ্রি টিকিট পায় ও খেলাটাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায়।

এই ম্যাস্কটদের নির্বাচিত করে স্টেট ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। এই ম্যাস্কটদের নির্বাচন করার
বিভিন্ন নিয়ম থাকে, যা বিভিন্ন দেশে আলাদা আলাদা। বেশিরভাগ সময়েই এই ম্যাস্কটরা নয় কর্তাদের
বাড়ির ছোট সদস্য হয় নইলে ওই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের জুনিয়র লেভেল প্লেয়ার। আবার
অনেক সময় কোনো ক্রিকেট ম্যাচ কোনো এনজিও (NGO) কে সাহায্য করার জন্যও খেলা হয়ে
থাকে। সেক্ষেত্রে সেই এনজিওর বাচ্চারাও ম্যাস্কট হতে পারে। আর এই ম্যাস্কট থাকার ফলে খেলার ভিউয়ারশিপও বাড়ে বলে ধরা হয়।

No comments

Powered by Blogger.